Monday, August 2, 2021

“ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালের ”নয়া ওয়ার্ড মাষ্টারের বিরুদ্ধে কৌশলে টাকা কামাইর অভিযোগ।

আনোয়ার জাহিদ।। ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান।।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে, রোগী বেড পাওয়া আগ পর্যন্ত নয়া ওয়ার্ড মাষ্টার পর্যন্ত খরচ হয় ৩২৫ টাকা। এমন অভিযোগের অন্ত নেই।
ভর্তি বাবদ সরকারি ফি মাত্র ২৫ টাকা। ভর্তি রোগী কে টলিতে করে দিয়ে আসার জন্য রোগীর স্বজনদের গুনতে হয় ২০০/৩০০ টাকা।
মুমুর্ষ রোগী/ রোগীনি কে অক্সিজেন দিতে হবে। সিলিন্ডার নেই। নগদ টাকা দিলেই , মিনিটের মধ্যেই পাওয়া যায় অক্মিজেন। এ অভিযোগ জরুরি বিভাগপ গেলেই পাওয়া যাবে।
অতিরিক্ত এই টাকা ইমার্জেন্সি স্টাফ ও ওয়ার্ডবয়ের হাত হয়ে চলে যায় ওয়ার্ড মাষ্টারের পকেটে।
অভিযোগ আছে নয়া ওয়ার্ড মাষ্টার কে আউটসোর্সিং এ চাকুরি করেন এমন সব অসহায় ছেলে মেয়েদের মাস গেলে বেতনের টাকা থেকে নগদ দুই/ একশ শত টাকা বকশিস দিতে হবে এ রকম আশঙ্কা ভুগছে সবাই।
কারন আগের ওয়ার্ড মাষ্টার কেও দিতে হতো অনেককে। এ রকম অভিযোগ অনেকর মুখেই শোনা যায়।
চাহিদা মত টাকা না দিলেই ঐ ষ্টাফের সাথে চলবে দুর্বব্যবহার। নয় তো ডিউটি বন্ধ।, ডিউটি দিলেও কোন বাজে জায়গায় ডিউটি হবে, এমন আতঙ্কও কম নয়।
জানাযায়, করোনাকালীন অবস্হার প্রথম দিকে হাসপাতালে অভ্যান্তরীনভাবে সাবেক ওয়ার্ডমাষ্টার কিছু ছেলে/ মেয়েদের নিয়োগ দিয়েছিলো।
এরা বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মে হাসপাতাল থেকে বাদ দেওয়া হয়।
নয়া ওয়ার্ড মাষ্টার এসে গোপনে আর্থিক সুবিধা নিয়ে, পুনরায় তাদেরকে বিভিন্ন স্হানে ডিউটি করার সূযোগ করে দিয়েছেন বলে প্রমানও মিলছে।
এই বিষয় সাংবাদিকরা নতুন ওয়ার্ড মাষ্টারকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, উলে্লেখিত সব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও বিভ্রান্তীকর এবং অসত্য। তিনি আসছেন নতুন। এখনও অনেক কিছুর ব্যাপারে জানেনই না। তিনি কোন অনৈতিক কাজের সমর্থনই করেন না বলে সাংবাদিকদের বলেন।
উল্লেখিত বিষয়ে, হাসপাতালের পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষন সহ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ও দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়েছে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জল রাখার স্বার্থে।
Previous Post
Next Post
Related Posts

0 comments: